আজ - মঙ্গলবার, ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৯ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি, (শীতকাল), সময় - রাত ২:৫২

একরাম নিহত না খুন!? গা শিউরে ওঠা অডিও ক্লিপ!

ডেস্ক রিপোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে কক্সবাজারে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার আগে টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর একরামুল হকের সঙ্গে ফোনে ‘শেষ কথোপকথনের’ অডিও রেকর্ড প্রকাশ করেছে তার পরিবার। ৩১ মে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে একে ‘ঠাণ্ডা মাথার খুন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন তার স্ত্রী আয়েশা বেগম।

ওই অডিও ক্লিপটি সাংবাদিকদের শুনিয়েছেন একরামের স্ত্রী। চারটি ক্লিপ মিলিয়ে ১৪ মিনিট ২২ সেকেন্ডের ওই অডিও রেকর্ডে কয়েকজনের কণ্ঠ, গুলির শব্দ আর চিৎকার শুনা গেছে। একরামের বড়ভাই নজরুল ইসলাম বলেছেন, একরামের মোবাইল খোলা ছিল বলে এ প্রান্তে পুরো ঘটনাপ্রবাহ রেকর্ড হয়েছে ফোনের অটোরেকর্ডারে।

আয়েশা সাংবাদিকদের বলেন, একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তার ফোনে গত ২৬ মে রাত ৯টার দিকে বাড়ি থেকে বের হন একরাম। রাত ১১টার সময়ও বাড়ি ফিরে না এলে, তার মেয়ে ফোন করে। সেসময় একরাম মেয়েকে জানান, তিনি একজন মেজর সাহেবের সঙ্গে হ্নীলা যাচ্ছেন। যে কথা অডিও ক্লিপটিতেও শোনা যায়।

অডিওতে শুনা যায়, একরাম মেয়ের সঙ্গে কথা বলছেন। তিনি মেয়েকে বলছেন, ‘আমি টিএনও অফিসে যাচ্ছি, আমি চলে আসব আম্মু।’

এরপর মেয়ে বাবাকে প্রশ্ন করছে, ‘কতক্ষণ হবে?’ মেয়ের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বেশিক্ষণ লাগবে না। আমি চলে আসবো ইনশাল্লাহ।’

একরাম ফিরে না আসায় খোঁজ নেয়ার জন্য রাত ১১টা ৩২ মিনিটে আবারও ফোন করেন তার স্ত্রী আয়েশা। সে সময় ওপাশ থেকে কিছু বিচ্ছিন্ন শব্দ ছাড়া কারও কথা শোনা যাচ্ছিল না।

কিছুক্ষণ পর ওপর প্রান্তে গুলির শব্দ, পুলিশের সাইরেন, চিৎকার-হাঁকডাক, গালিগালাজ  শুনা যায়। আর এ প্রান্তে নারী ও শিশুদের আহাজারি মিলিয়ে রোমহর্ষক এক পরিস্থিতির চিত্র পাওয়া যায় ওই অডিও রেকর্ডে।

আয়েশা বেগম জানান, মোবাইলের ভয়েস রেকর্ড যাচাই করলে বুঝা যাবে একরামকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়া হত্যার পর র‌্যাবের দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একরামের পিতার নাম ও ঠিকানা ভুল দিয়েছে। একরাম কখনো ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত ছিলেন না।

র‌্যাবের পরিচালক (মিডিয়া) মুফতি মাহমুদ খান গণমাধ্যকে জানান, অডিওটা আমরা শুনেছি। অনেক রকমের অডিও হয়। বিষয়টি আমরা দেখছি।

চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে গত ২৬ মে রাতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে একরামুল হক নিহত হয়েছেন বলে র‌্যাবের ভাষ্য। একরাম নিহতের পর এলাকাবাসী বলছেন, তিনি ইয়াবা ব্যবসায়ী ছিলেন না।[WD_FB id=”0″]

Gepostet von খানজাহান আলী 24.com am Freitag, 1. Juni 2018

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত