আজ - সোমবার, ৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি, (বর্ষাকাল), সময় - সকাল ৬:৩১

এপার বাংলার নোবেল কাপাচ্ছেন ওপার বাংলার সারেগামা মঞ্চ!

বিনোদোন ডেস্ক: ভারতের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’তে জেমসের ‘বাবা’ গানটি গেয়ে পরিচিতি পান মাঈনুল আহসান নোবেল। এছাড়াও আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে’, মাইলসের ‘ফিরিয়ে দাও’সহ বাংলা-হিন্দি আরও অনেক গান। তুমুল জনপ্রিয় এইসব গান নতুন করে গেয়ে সবার দৃষ্টি কাড়েন নোবেল।

এই প্রতিযোগিতার প্রতিটি পর্বে ভিন্ন ভিন্ন গান গেয়ে বিচারকদেরও মন জয় করেছেন বাংলাদেশের এ শিল্পী। সেই ধারাবাহিকতায় গত পর্বে নতুন চমক নিয়ে হাজির হন তিনি। নোবেলের কণ্ঠে বেজে ওঠে ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটি আজ আর নেই, কোথায় হারিয়ে গেল সোনালি বিকেলগুলো সেই। এই গান গেয়েই ঝড় তুলেছেন নোবেল।

নোবেলের সঙ্গে প্রতিবারের মতো মঞ্চে উঠেছিল একদল বাদক। নতুন করে সংগীতায়োজন করা গানটিতে পাওয়া যায় এই সময়ের ছোঁয়া। সঙ্গে ছিলো কোরাসের সহশিল্পীরাও। বরাবরের মতো এবারও বিচারকদের মন জয় করে নিয়েছেন নোবেল।

বিচারকের আসনে বসা শ্রীকান্ত আচার্য, অলকা ইয়াগনিক ও শান্তুনু মৈত্র প্রসংশা করেন তার গায়কীর। রাতে গানটি প্রচারের পর ফেসবুকেও ছড়িয়েছে গানটি।

মজার ব্যপার হলো এই গানে নোবেলের সঙ্গে তবলা বাজিয়েছেন একজন প্রবীণ তবলা বাদক। যিনি মান্না দে’র সঙ্গেও তবলা বাজিয়েছেন।

গান শুনে নোবেলের উদ্দেশ্যে শ্রীকান্ত আচার্য বলেন, ‘এই যে তুমি গানটি গাইলে, এখানে দীপু দা রয়েছেন তবলাতে। উনি দীর্ঘদিন মান্না দার সঙ্গে বাজিয়েছেন। মান্না দা শেষ কয়েক দশকে যতগুলো গান গেয়েছেন, এই গানটা সুপার হিটের উপরেও যদি কিছু থাকে তাহলে তাই। তোমার কণ্ঠে গানটা শুনেও মুগ্ধ হয়ে গেছি।’

মান্না দে’র তবলা বাদককে সঙ্গে পেয়ে খুশি হয়ে নোবেল, ‘আমি চিনতাম না উনাকে, চেনার পর অনেক ভালো লাগছে, দিপু দা আমার সঙ্গে বাজালেন, সত্যিই এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’

দিপুও স্মৃতিকাতর হয়ে বললেন, ‘মান্না দা’র সঙ্গে তিনবার বাংলাদেশে গেছি। তিনবারই এই গানটা গাইতেই হয়েছিল।’

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত