আজ - মঙ্গলবার, ২৮শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২০শে জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি, (গ্রীষ্মকাল), সময় - রাত ১০:১১

ক্যাপ্টেনের লাশ পৌছালো আজ, শোকে মারা গেলেন স্ত্রী!

মারা গেলেন ক্যাপ্টেন আবিদের স্ত্রী!

দ্বিতীয়বার স্ট্রোক করার পর লাইফ সাপোর্টে থেকে মারা গেছেন নেপালে প্লেন দুর্ঘটনায় নিহত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান পাইলট আবিদ সুলতানের স্ত্রী আফসানা খানম। সোমবার দুপুরে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে তিনি মারা যান বলে প্রাথমিকভাবে জানান পাইলট আবিদ সুলতানের সহকর্মী অনিক জামান। অবশ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় সংকটপূর্ণ অবস্থায় এখনো তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

স্ত্রীর সাথে ক্যাপ্টেন আবিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক : নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ জনের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে এ জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজা শেষে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এছাড়াও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিএনপি নেতা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন, সাবেক নৌ-বাহিনী প্রধান ও বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন চৌধুরীসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ নিহতদের শ্রদ্ধা জানান। তাদের শ্রদ্ধা জানানোর পর নিহতদের লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে বিকালে লাশগুলো অ্যাম্বুলেন্সযোগে আর্মি স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়। বিকাল ৪টা ০৫ মিনিটে নেপাল থেকে ২৩ জনের লাশবাহী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।

এর আগে সকালে নেপালের বাংলাদেশ দূতাবাসে নিহতদের প্রথম নামাজে জানাজা শেষে ত্রিভুবন বিমানবন্দরে মরদেহগুলো ১০টার দিকে আনা হয়। এরপর মরদেহ ঢাকায় নিতে দুপুর ১২টার দিকে নামে বিমানবাহিনীর কার্গো এয়ারক্রাফট দু’টি। নামার আগে এয়ারক্রাফট দু’টিকে হেভি ট্রাফিকের কারণে ত্রিভুনের আকাশে ঘণ্টাখানেক চক্কর দিতে হয়।

গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণকালে বিধ্বস্ত হয় ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিএস২১১। এতে নিহত হন ৪৯ জন। তাদের মধ্যে ২৬ জনই বাংলাদেশি। এরমধ্যে শনাক্ত করে ঢাকায় আনা হয়েছে এই ২৩ জনের লাশ।

এরা হলেন, উম্মে সালমা, আঁখি মনি, বেগম নুরুন্নাহার ও শারমিন আক্তার, নাজিয়া আফরিন ও এফ এইচ প্রিয়ক, -বিলকিস আরা, আখতারা বেগম, মো. রকিবুল হাসান, মো. হাসান ইমাম, মিনহাজ বিন নাসির, তামাররা প্রিয়ন্ময়ী, মো. মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহারা তানভীন শশী রেজা, অনিরুদ্ধ জামান, রফিক উজ জামান এবং পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশিদ, খাজা সাইফুল্লাহ, ফয়সাল, সানজিদা ও নুরুজ্জামান। শনাক্ত না হওয়ায় আনা যায়নি পিয়াস রায়, নজরুল ইসলাম ও আলিফুজ্জামানের লাশ।

আরো সংবাদ