আজ - মঙ্গলবার, ২৮শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২০শে জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি, (গ্রীষ্মকাল), সময় - রাত ১১:৪৩

দুই বিএনপি নেতার ঝগড়া, থামালেন ফখরুল

বগুড়া জোনাল অফিস: বগুড়া জেলা বিএনপি সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন চাঁন ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়লে তা থামিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বুধবার বিকেলে বগুড়ায় একটি মতবিনিময় সভার স্থান নির্ধারণকে কেন্দ্র করে ওই দুই নেতার মধ্যে ঝগড়া হয় বল জানা যায়।বগুড়া সফররত মির্জা ফখরুল এ সময় তাদের ঝগড়া থামান। বগুড়ার একটি হোটেলের লিফটে ক্ষিপ্ত সাইফুল ইসলামকে শান্ত করতে দেখা যায় তাকে।এসময় বিএনপি মহাসচিব বগুড়া সভাপতির কলারও চেপে ধরে তাকে শান্ত হতে নির্দেশ দেন। সভাপতিকে না জানিয়েই অনুষ্ঠানের স্থান নির্ধারণ নিয়ে এ জটিলতা হয় বলে বগুড়ার ওই দুই নেতা আরটিভি অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন।  বিএনপি মহাসচিব মতবিনিময় সভা না করেই চলে যাওয়ার হুমকি দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয় বলে জেলা বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন জানিয়েছেন, মহাসচিব আমাদের দু’জনকেই বুধবারের কর্মসূচির বিষয়টি জানিয়েছিলেন। সভাপতি ঢাকায় অবস্থান করায় আমি মোবাইলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে কর্মসূচি বাস্তবায়নে পরামর্শ চাই। সভাপতি আমাকে জানান, তিনি ঢাকা থেকে ফিরতে পারবেন না, যেন হোটেল নাজ গার্ডেনে সভাটি করা হয়। পরে সভাপতি আবারও ফোন করে জানান, ওই দিন নাজ গার্ডেন ফাঁকা পাওয়া সম্ভব হবে না, তিনি যেন অন্য ভেন্যুতে কর্মসূচির ব্যবস্থা করেন। ওই কর্মসূচির দিন ঢাকায় থাকার কারণে হয়ত তিনি (সভাপতি) উপস্থিত হতে পারবেন না বলেও জানান।বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, তার (সভাপতি) পরামর্শে জেলা বিএনপি ও সদর থানা বিএনপির কয়েকজন নেতাকে নিয়ে বেশ কয়েকটি ভেন্যুতে গিয়ে আমরা হোটেল মম ইনে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিই। বিষয়টি মহাসচিবকে জানিয়ে দেয়া হয় এবং সভাপতিকে তা অবহিত করার জন্য তার ঘনিষ্ঠ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাহ মো. মেহেদী হাসান হিমুকে দায়িত্ব দেয়া হয়। হঠাৎ করেই কর্মসূচির দিন ঢাকা থেকে বগুড়ায় আসেন সভাপতি সাইফুল ইসলাম এবং ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে ভেন্যুর বিষয়টি তাকে অবহিত না করার কারণে মহাসচিবের সামনে আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। পরে মহাসচিব সভা না করে ফিরে যাওয়ার কথা বললে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে বিতণ্ডার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, আমি ঢাকায় অবস্থানের কারণে মহাসচিবের কর্মসূচি পালনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সাধারণ সম্পাদককে জানাই। তিনি নিজের মতো করে কর্মসূচি সাজিয়েছেন, কিন্তু বিষয়টি আমাকে আর জানাননি। মহাসচিবের সামনে আমি তার কাছে কৈফিয়ত তলব করি যে ভেন্যুসহ কর্মসূচির বিষয়টি আমাকে কেন জানানো হলো না? তখন সাধারণ সম্পাদক বলেন, আপনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন, হয়ত কর্মসূচিতে থাকতে পারবেন না এ জন্য বলিনি। তখন আমি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বলি এটা তো কোনও সাংগঠনিক সিস্টেম হলো না। তখন মহাসচিব আমাকে শান্ত হতে বলেন এবং কর্মসূচি পালন করতে বলেন।এর বাইরে কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি দাবি করেন

আরো সংবাদ