আজ - রবিবার, ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি, (গ্রীষ্মকাল), সময় - সন্ধ্যা ৭:০৪

নড়াইলে গৃহবধূ সালমা একে একে জন্মদিলেন ৭ সন্তান

একই মায়ের গর্ভে ভূমিষ্ঠ হলো সাতটি সন্তান! এর মধ্যে চারটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে সন্তান। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে, সাতটি সন্তানের মধ্যে কোনো নবজাতককেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের কালুখালী গ্রামের।
এই গ্রামের ইজিবাইক চালক মহসিন মোল্যা ও গৃহবধূ সালমা দম্পতির ঘর আলো করে সাতটি সন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের ১০ বছর পর তারা সন্তানের মুখ দেখেন। আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে ছয়জন সন্তানের রিপোর্ট আসলেও বাস্তবে সাতটি সন্তান ভূমিষ্ট হয়েছে। তবে, কাউকেই বাঁচানো যায়নি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা ১১টার দিকে নবজাতক সাতটি সন্তানকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে যশোরের একটি হাসপাতালে প্রথমে দুইটি সন্তান ভূমিষ্ট হয়। পরদিন বুধবার রাতে একে একে পাঁচটি সন্তান প্রসব হয়। তবে, কাউকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাসের মধ্যে সন্তানগুলো ভূমিষ্ট হয়েছে বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। নবজাতক সন্তানদের মা সালমা বেগম যশোরে চিকিৎসাধীন আছেন।
নবজাতকদের দাদী মঞ্জুরা খাতুন জানান, গত সোমবার রাতে তার ছেলের বউয়ের প্রসব বেদনা উঠলে বাড়ি থেকে যশোর নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে যাওয়ার পর সন্তানগুলোর জন্ম হয়।
দাদা আব্দুল লতিফ মোল্যা বলেন, আমার ছেলে সৌদিআরবে থাকত। তিন বছর আগে দেশে এসে ইজিবাইক চালায়। তাদের বিয়ের ১০ বছর পর এবার সন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুণছিলাম সবাই। কিন্তু, সাতটি সন্তানের জন্ম হলেও তাদের বাঁচানো গেলো না। এ কষ্ট রাখব কোথায় ?
স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু সেলিম জানান, কালুখালী গ্রামের মহসিন মোল্যার সাতটি সন্তান হবে, এমন খবর জানতে পেরে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। সবার মধ্যে সাতটি সন্তান দেখার কৌতুহল ছিল। কিন্তু, সন্তানগুলো মারা যাওয়ায় সবাই ব্যতীত হয়েছেন। আমরা মহসিনের অসুস্থ স্ত্রীর সুস্থতা কামনা করছি।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->