প্রশাসন চুষছে আঙ্গুল! যশোরে অবাধে চলছে লটারী নামক ‘জুয়া’

নাঈম সাব্বির, (স্পেশাল করসপন্ডেন্ট পলিটিক্স ও জনদূর্ভোগ):

যশোরে তাঁতবস্ত্র ও শিল্প মেলায় লটারি নামে ‘জুয়া’ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন রাজনৈতি, সামাজিক সহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার নেতৃবৃন্দ। সোমবার বিকেলে বিকেলে খানজাহান আলী24.com এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ সব প্রতিক্রিয়ায় উঠে আসে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে গত ১ মার্চ শহরের প্রাণকেন্দ্র টাউন হল মাঠে প্রেসক্লাব যশোরের আয়োজনে শুরু হয়েছে মাসব্যাপি তাঁতবস্ত্র ও শিল্প মেলা। অনুমোদন না থাকলেও মেলায় বেআইনিভাবে প্রতিদিন চলছে লটারির টিকিট বাণিজ্য। মোটরসাইকেল, টিভি, ফ্রিজ, বাইসাইকেলসহ বিভিন্ন রকমের পুরস্কারের লোভ দেখিয়ে চলছে জমজমাট লটারি জুয়ার আসর। শহরের টাউন হল ময়দান থেকে শতাধিক ইজিবাইকে মাইক লাগিয়ে শহরের অলিগলি ও উপজেলার পাড়া মহল্লায় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত ২০ টাকা মূল্যে বিক্রি করা ও ড্র হচ্ছে।

প্রতিদিন ২০-২৫ লাখ টাকার লটারির টিকিট বাণিজ্য হচ্ছে। আর বাহারি সব পুরস্কারের লোভে লটারি নামক জুয়ায় হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের নাকের ডগায় বেআইনিভাবে লটারি নামক জুয়া খেলা হলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

অবিলম্বে এই লটারি নামক জুয়া বন্ধের দাবি জানিয়েছেন যশোরের অনেকগুলি রাজনৈতিক, সামাজিক, ও মানবাধিকার সংস্থার নেতৃবৃন্দ।

লটারির নামে জুয়া বন্ধের দাবি জানিয়ে নেতারা বলেন, তাঁতবস্ত্র ও শিল্পমেলার নামে লটারির মাধ্যমে গরিব মানুষের পকেট তসরুপ করা হচ্ছে। লটারির নামে একটি মহল কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রশাসনের রহস্যজনক ভূমিকা যশোরের মানুষ প্রচন্ড বিক্ষুব্ধ।

মেলায় কোন প্রকার জুয়া, র্যাফেল ড্র, নিষেধ থাকলেও অজ্ঞাত কারনে নিরব ভূমিকায় রয়েছে জেলা প্রশাসন।

এছাড়াও যশোর থেকে প্রকাশিত কিছু দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকা লটারী ড্র’র ফলাফল ছাঁপছেন বেশ জোরেশোরে।