বারান্দীপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে হমলা আহত-৩ গুরুতর -১।

যশোর প্রতিনিধি : যশোরের বারান্দি পাড়ার বৌবাজার এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে মাঠপাড়াস্থ জনৈক আব্দুল আলীম বাবু (৪৫) এর বাড়িতে হামলা চালায় দূর্বৃত্তরা। হামলায় বাবু সহ স্ত্রী লিপি (৩৬) মা সবুরোন্নেচ্ছা বেগম (৬৫) আহত হন। আহতদের মধ্যে বাবুর অবস্থা গুরুতর।

আহত বাবু

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে প্রতিবেশি বাবুর বাড়ী থেকে আত্মচিৎকার শুণতে পান। একপর্যায়ে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এলে আরেক প্রতিবেশি মৃত কাশেমের ছেলে জাকির (৪৫) ওরফে ভূড়ি জাকির, গফুর (৩৫), তাইবুর (২৬) তাদের উপর হাত বোমা নিক্ষেপ করে ৭/৮ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল নিয়ে আক্রান্ত বাবুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।

প্রতিবেশিরা দ্রুত বাবুর বাড়ীতে ঢুকে বাবুকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন, এবং ঘরের মধ্যে বাবুর ছেলে মামুন ও তার বন্ধু তানিম, ইফতি ও তাহমিদকে ঘরের মধ্যে তালবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরে প্রতিবেশিরা তাদের উদ্ধার ও তালা ভেঙ্গে মামুনদের ঘর থেকে বের করেন।

চোখের সামনে মা বাবা দাদীর উপর হামলার বর্ণণা করে মামুন বলেন, হামলাকারীদের মধ্যে তাদের পরিচিত লোকও রয়েছে। জাকির, গফুর, তাইবুর তাদের প্রতিবেশি এবং অন্যান্যদের আমি চিনিনা। দোকান ভাংচু্র করা হয়েছে, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়েছে দাবি মামুনের। হামলার কারন জানতে চাইলে মামুন বলেন তাদের সাথে আমাদের কোন পূর্ব শত্রুতা নেই,৭/৮ দিন আগে জাকিরের ছোট ভাই (১২) ও আমার ছোটভাই (১৩) খেলা
করছিলো সে সময় তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। সেই জেরে এমন হামলা হতে পারেনা বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা ডাকাতির উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারনা করছেন তাঁরা।

বাবা মা’র উপর হামলা হতে দেখে ৯৯৯ নাম্বারে ডায়াল করে পুলিশে খবর দেন মামুন। খবর পেয়ে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই সোহেল রানা ঘটনাস্থলে আসেন এবং গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় আব্দুল আলীম বাবু কে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এবং হামলাকারী ও আক্রান্ত উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে নিয়ে যান। ঘন্টাখানেক থানার সভাকক্ষে উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা শেষে, বাবু সুস্থ হয়ে ফিরলে পুণরায় বসে মিটানোর আশ্বাস এসেছে।

আহত আব্দুল আলীম বাবু যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার মাথায় ১৩টি সেলাই দেয়া হয়েছে অবস্থা অাশঙ্কা জনক বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক। বাবুর স্ত্রী লিপি ও মা সবুরোন্নেচ্ছা বেগম প্রাথামিক চিকিৎসা নিয়েছেন।