আজ - মঙ্গলবার, ১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৭ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি, (গ্রীষ্মকাল), সময় - বিকাল ৫:০৩

ভারতের মহারাষ্ট্রে ৫৭ ভুয়া ডাক্তার আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের মহারাষ্ট্রে ৫৭ জন ভুয়া ডাক্তার ধরা পড়লেন। তারা সবাই একই কলেজের একই ব্যাচের এমবিবিএস শিক্ষার্থী। আর তারা সবাই ভুয়া এমডি ডিগ্রি দেখিয়ে টানা ৪ বছর ধরে ডাক্তারি করছিলেন।

মহারাষ্ট্র মেডিকেল কাউন্সিল সবারই লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছে। গত অক্টোবরে ওই ডাক্তারদের বিরুদ্ধে এফআইআরও করা হয়েছে। প্রচুর টাকার বিনিময়ে যে চিকিৎসক ওই ভুয়া ডিগ্রি পাইয়ে দিতেন, পুলিশ তাকেও গ্রেপ্তার করেছে।

মহারাষ্ট্র মেডিকেল কাউন্সিল জানিয়েছে, ৫৭ জন ডাক্তারই মুম্বাইয়ের কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জেনস (সিপিএস)-এর ২০১৪-১৫ ব্যাচের।

পুলিশ জানিয়েছে, ভুয়া ডাক্তারি ডিগ্রি দেয়ার একটি বড় চক্র রয়েছে মুম্বাইয়ে। সেই চক্রের অন্যতম সদস্য সিপিএসেরই এক সাবেক ছাত্র, চিকিৎসক স্নেহাল ন্যাতি। তিনি প্রচুর অর্থের বিনিময়ে ছাত্রছাত্রীদের ভুয়া ডাক্তারি ডিগ্রি পাইয়ে দিতেন। সিপিএসের ওই প্রাক্তন ছাত্রকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া চিকিৎসক ন্যাতি মাথাপিছু ৩ থেকে ৫ লাখ রুপির বিনিময়ে ওই কলেজ থেকে ভুয়া এমবিবিএস এবং এমডি ডিগ্রির সার্টিফিকেট পাইয়ে দিতেন।

এমনকি তিনি নিজেই নাকি ডেকে ডেকে ডাক্তারি ছাত্রছাত্রীদের বলতেন, পরীক্ষায় ফেল করলেও অসুবিধা নেই। টাকা ফেললেই মুশকিল আসান হয়ে যাবে। হাতে এসে যাবে এমবিবিএস এবং এমডি ডিগ্রির সার্টিফিকেট।

ওই ভুয়া ডিগ্রি পাওয়া ডাক্তারদের অনেকেই নাম নথিভুক্ত করেছিলেন মহারাষ্ট্র মেডিকেল কাউন্সিলে (এমএমসি)। এখনও পর্যন্ত মোট ৫৭ জন ভুয়া ডাক্তারের লাইসেন্স বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে এমএমসি।

২০১৬ সালে প্রথম এই ভুয়া ডাক্তারি চক্রটির খবর জানতে পারে এমএমসি। ওই সময় জলগাঁও জেলার একটি থানা পুরো ঘটনাটি জানিয়েছিল সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজ ‘সিপিএস’ এবং এমএমসি-কে।

এমএমসি পরে বিভাগীয় তদন্ত চালিয়ে দেখেছে, ২০১৪-১৫ সালে যারা কাউন্সিলের কাছে ডাক্তারি লাইসেন্সের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন, তাদের ৭৮ জনেরই ডাক্তারি ডিগ্রিটা ছিল ভুয়া।

এমএমসি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ডাক্তারির সার্টিফিকেটগুলো দেখে বোঝা যায়নি, সেগুলো আসল না নকল!

আরো সংবাদ