যশোরে নৌকার প্রচারনায় দাদা রিপন হত্যা’র আসামি || প্রতিবাদে হামলা সংঘর্ষ।

মুনতাসির মামুন, যশোর ব্যুরো: যশোরে নৌকা মার্কার প্রচারনায় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ বিকালে যশোর সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক শহীদুজ্জামান শহিদ নৌকা মার্কার প্রচারনা চালাচ্ছিলেন ঠিক তখনি যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ সর্দারে নেতৃত্বে শহিদ ও তার সঙ্গীদের উপরে হামলা করা হয়।

আরবপুর ইউনিয়নের একজন ইউপি সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন বিকাল ৫ টার সময় শহিদ মেম্বার তার সঙ্গীয়দের নিয়ে নৌকা মার্কার প্রচারনা চালাচ্ছিলে। তখন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ সর্দার সহ বেশ কয়েকজন শহিদ মেম্বার ও তার সঙ্গী ইকবালের উপরে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করেন।

কারন জানতে চাইলে সাঈদ বলেন, নৌকার কোন প্রচার মিছিল বা গণসংযোগে আমরা হামলা বা বাঁধা প্রদান করিনি। বাংলাদেশের পুরাতন ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের যশোর সদর উপজেলা শাখার যুগ্ম-আহ্বায়ক রিপন হোসেন দাদার হত্যাকারীকে প্রতিরোধ করেছি মাত্র। সাঈদ আরো বলেন ইকবাল রিপন ভাইকে হত্যার পর দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলো, এখন ফিরে এসে নৌকায় আশ্রয় খুঁজছে, ছাত্রলীগ এটা কখনো বরদাস্ত করবেনা।

স্থানীয়রা জানান, আরবপুর ইউনিয়নে প্রতারক খ্যাত শহীদ মেম্বার বাহুবল বাঁড়াতে ইকবাল কে দলে ভিড়িয়ে আখের গোছানোর পায়তারা চালাচ্ছে। এটা কোন নৌকার প্রচারনা ছিল না- নৌকার আঁড়ালে পিঠ বাঁচানোর ইস্যুমাত্র।

ইকবাল হোসেন সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন হোসেন দাদা হত্যা মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামী।

আজ বিকালে শহরের ধর্মতলা এলাকায় ইকবাল সহ স্থানীয় সন্ত্রাসী কালো জনিদের নিয়ে প্রচারনা চালানোয় এই সংঘর্ষ বাঁধে। পরে ইকবালকে আহত অবস্থায় পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়। পুলিশি হেফাজতে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ইকবাল।

২০১০ সালে দাদা রিপন কে নৃসংশভাবে হত্যা করে দেশ ছেড়েছিলেন ইকবাল।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে শহীদের সাথে যোগসাজশ করে মাঠে নামেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী ইকবাল।