যশোর বিএনপির রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিচ্ছে তরিকুল ইসলামকে || নেপথ্যে সাবু ও মারুফ (ভিডিও সহ!)

নাইম সাব্বির, যশোর থেকে:  যশোর বিএনপির রাজনীতি থেকে অনেকটা অভিনবভাবে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে যশোর জেলা উন্নয়নের কারিগর খ্যাত, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম কে। এ ঘটনা নেতাকর্মী দের মনে আঁচড় টানে গত বুধবার – এ দিন দলীয় সভানেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশে ফিরলে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে ঢাকাতে মিছিল বের করে যশোর নগর বিএনপির নেতাকর্মীরা। নগর বিএনপির ব্যানারে সেদিন যশোর জেলা বিএনপির অবিভাবক তরিকুল ইসলামের ছবি ব্যবহার না করায় ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন নেতাকর্মীরা। তারপর তারা অপেক্ষায় ছিলেন জেলা বিএনপি বা নগর বিএনপির পক্ষ থেকে ছবি ব্যবহার না করার কারন সম্পর্কে কোন বক্তব্য আসে কিনা সেদিকে। কিন্তু সে প্রতিক্ষার আর প্রহর হয়নি। আজম নামক জনৈক ব্যক্তি তার ক্ষোভের প্রকাশ ও হতাশা প্রকাশ করেন এভাবে,

“ছবি ব্যানারে ব্যাবহার করা হয়নি, একথা অস্বীকার করার উপায় নেই। এখনও পর্যন্ত ব্যাণারে উপস্থিত, যশোর জেলা বিএনপি’র সাংগাঠনিক সম্পাদক জনাব সাবেরুল হক সাবুর,কোন বক্তব্য নেই! ব্যানারে ছবি না দেওয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখ জনক। তবে বিষয়টি পরিকল্পিত এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই । ব্যানারে উপস্থিত নগর বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র, জনাব মারুফুল ইসলাম সহ জেলা ছাত্র দলের নেতা কর্মীরা। আনলাকি ১৩ যে নেতা আজীবন নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেছেন, কর্মী থেকে নেতা বানিয়েছেন, মেয়র বানিয়েছেন, তারপরও তার অবদান অস্বীকার করা, আদৌ ঠিক নই,আমি নিজে সাক্ষী, তরিকুল ইসলাম, ২০০৮ সনের তার নিজের নির্বাচনে আর এন রোডের ডোম পট্রিতে ভোট চাইতে যাননি সেই তরিকুল ইসলাম,মেয়র নির্বাচনে ডোম পট্রিতে, ভাইপোর জন্য ভোট ভিক্ষা করেছেন। চাচী ও অমিত ভাই কি পরিশ্রম করেছে, প্রতিটি ওয়াডের  নেতাকর্মীরা তার সাক্ষী, সাবু সাহেবরা আজীবন তরিকুল ইসলাম এন্টি রাজনীতি করে এসেছেন, তারপরও জেলা বিএনপি র বড় পদে আসীন, কেন জানেন ? বড় হদয়ের মানুষ এজন্যই, তরিকুল ইসলাম চাইলেই সাবু সাহেব কে বাদে কমিটি করতে পারতেন কিন্তু করনেনি,তরিকুল ইসলামের উদার রাজনীতির কারনে, বিপুল ভোটে পরাজিত হওয়া সত্তেও, ফারুক ভাই, জেলা ছাএদলের সিনিয়র সহ- সভাপতি শিমুল ভাই সহ- সভাপতি, এসব এত দ্রুত ভুলে গেলেন.? কঠিন সত্য জেনে রাখুন কাজে লাগবে,বিগত মেয়র নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিক না হলে ও তরিকুল ইসলামের পরিবার ভোট না করলে, প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিং এজেন্ট হওয়ার মত লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হতো ।। তরিকুল ইসলামের আলোয় আলোকিতো অনেক বড় নেতারা, রাজপথে আমার রাজনীতিক বয়সের থেকেও কয়েক বছর পরে রাজনীতিতে এসেছেন, তারপরেও নেতা হয়েছেন, কেনো হয়েছেন তরিকুল ইসলাম চেয়েছেন এজন্য হয়েছেন।কখনও ভেবে দেখেছেন আপনারা রাজনীতিক ভাবে কতটা দেওলিয়া ”?

 এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির তৃনমূল নেতাকর্মী দের সাথে কথা বলে জানা যায়, জেলা বিএনপি এখন দুই ভাগে বিভক্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক গ্রুপ আরএক গ্রুপকে জারজ আখ্যাও দিচ্ছে। চাচা (তরিকুল ইসলাম) শারিরিক ভাবে দূর্বল হয়ে পড়েছেন আর মাঝখান থেকে ফায়দা উসুল করছে সাবু, মারুফ , মিজান গ্রুপ। এভাবেই ক্ষোভের আগুনে পুড়ছেন নেতাকর্মীরা। ্ ব্যানারে ছবিটি কেন ব্যবহার করা হলোনা জানতে চাই  যশোর জেলা বিএনপি’র সাংগাঠনিক সম্পাদক সাবেরুল হক সাবু ও নগর বিএনপি’র সভাপতি মারুফুল ইসলামের কাছে…. অবাক হওয়ার মত উত্তর এলো ওপাশ থেকে (দেখতে এখানে ক্লীক করুন)