শাহীন চাকলাদারের কাঁধে বন্দুক রেখে ফায়ার করছে মশিউর রহমান সাগর!

নাঈম সাব্বির (স্পেশাল করসপন্ডেন্ট পলিটিক্স):শোকের মাস চলে গেল। অনেক ভেবে ছিলাম কাশিমপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাগর সাহেব অনেক বড় করে শোক দিবস পালন করবেন কিন্তু সে টি আর হলো না। আজ এ কথা এ কারণে বলছি শাহীন ভাই যে দিন কাশিমপুর এলেন সে দিন শাহীন ভাই এর জন সভায় তার লোক জন যাতে না আসে তার জন্য সর্ব রকম বাধা সৃষ্টি করলেন তার পরও শাহীন ভাই এর ভালবাসায় শোক দিবসে লোক এর অভাব হয় নাই।

শিবির ক্যাডার খ্যাত সাগরের ছোট ভাই

একটি কথা এখানে উল্লেখ না করলে সকল বিষয় অসম্পূর্ণ থেকে যাবে তাই বলতে বাধ্য হচ্ছি। শোক মাস শুরু হলে তিনি শোক দিবস পালন করার জন্য ইউনিয়ন বাসীকে পরিষদে আহ্বান করলেন। সভায় হাজির ১৪/১৫ জন।কেহ তার ডাকে সাড়া দেয় নাই কারণ একটায় কাশিমপুর সে ছাড়া আর কোন আওয়ামীলীগ নাই।যে কয় জন আছে তারা তার দুরমুজ বাহীনি। বর্তমানে তার অত্যাচারে কাশীমপুর বাসী অতিতের যে কোন সময় থেকে বেশি অত্যাচারিত।তার একটি মাত্র কথা আমি শাহীন চাকলাদারের বন্ধু আমার সাথে জামেলা করলে খবর আছে।শাহীন ভাই একটা জামাত পরিবার কি ভাবে আপনার নাম ভাংগিয়ে মানুষকে অত্যাচার করছে সে আপনি গোপনে আপনার নিরপেক্ষ লোক দিয়ে তদন্ত করতে পারেন।

কাশিমপুর ইউপি বিএনপির সভাপতি সাগরের বড় ভাই

২০১৪ সালের আগে সাগর আপনার বন্ধু এ কথা সে কেন কারও মুখে শুনি নাই।৫ ই জানুয়ারীর পর থেকে সে নিজে এবং তার পরিবার পূর্বের অপকর্ম থেকে বাচার তাগিদে এ প্রচার শুরু করে।আর এ প্রচারের মাধ্যমে তার পরিবার বি এন পি আমল থেকেও আছ বেপরোয়া ও ভয়ংকার হয়ে উঠেছে।আর এর ফলাফল আপনার উপর পড়ছে।এ ভাবে চলতে থাকলে আগামী সংসদ নির্বাচনে এ ইউনিয়নে ৫০০ ভোট পাওয়া সম্ভব হবে না।যে লোক আপনার জনসভায় লোক না দিয়ে লোক না আসার জন্য বাধা সৃষ্ট করে সে কেমন বন্ধু আমরা বুঝি না।আবার লেবু তলায় লোক নিয়ে আপনাকে খুশি করতে গিয়েছিল।

যারা জাতীর জনক কে হত্যা করে তার মৃত্যু বার্ষিকিতে মিথ্যা জন্মদিন পালন করে তারা আপনার বন্ধু হয় কি ভাবে আমরা বুঝি না।আজ বিগত দিনে তার ভাই যে অত্যাচার করেছিল তার কোন প্রতিবাদ যাতে কেহ না করে তার জন্য এ নাটক।এরা মুশতাকের দোশর,এরা জিয়ার প্রেত্মাতা এদেরকে বিশ্বাস করা আর বংগ বন্ধুর আত্মার সাথে বেঈমানী করার সামীল।

সূত্র : আরজ গুজার একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

আরো অনুসন্ধান করে সাগর সম্পর্ককে যা পেলাম শাহীন ভাই, সেটা শুধু অবাক হবার বিষয়ই নয়,রিতি মত লমহষ্যকর বিষয়।সাগর খান নিজে স্বাধীনতা বিরোধী শুধু নয়।সে যাদের সাথে আত্মিয়তার বন্ধে জড়িত হয়েছে তারা সকলেই স্বাধীনতা বিরোধী পরিবার। প্রথমে আসি তার জামাতা সোহাগ খানের কথা।সে ছাত্র জীবনে ছাত্র শিবিরের ক্যাডার ছিল। তার আইডিতে গেলে দেখা যাবে সে কুকখ্যাত রাজাকার গোলাম আযমের সাথে ইউ টিউবে সরাসরি কথা বলছে।শুধু এখানে শেষ নয়,যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার শুরু হলে সামাজিক মাধ্যমে তার স্বক্রিয় কমর্কান্ড প্রমান করে তার জামাতা কত বড় এবং কত ভয়ংকার রাজাকার।এবার আসি তার বোন জামায়ের কথায়।বোন জামাই উপশহরে থাকে। উপশহব এলাকায় গেলে জানতে পারবেন বোন মহিলা জামাতের রোকন আর জামাই জামাতের স্বক্রিয় সদস্য।আর সে পরিবারের এক জনকে হ্যাপি সুকৌশলে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে আপনার কাছে ভিড়িয়ে দিয়ে মজা লুটছে আর শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি করে চলেছে।জাতীর জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে কাশিমপুর ইউনিয়ন বাসির আকুল আবেদন এই রাজাকার কে আওয়ামীলীগের সকল পদ ও কমর্কান্ড থেকে বহিস্কার করার জন্য অনুরোধ করছি।এবং তাকে যারা সহ যোগিতা করছে তাদের কেউ এ বিষয়ে সতর্ক করার অনুরোধ করছি। 
আরজ গুজার একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এর পূর্বের সূত্র