২৩ শে’ই তার দগদগে ক্ষত!

 খানজাহান আলী নিউজডেস্ক:    মন্ত্রী হলেও বিদেশে ভ্রমণের আগে বা ছুটিতে গেলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে যেতে হয়। সেই কারণেই হয়তো লন্ডন যাওয়ার আগে প্রধাণমন্ত্রীকে জানাতে গিয়ে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী কে বলেছিলেন, “আমার স্ত্রী খুব অসুস্থ, তাকে নিয়ে লন্ডন যাচ্ছি”। 

 জবাবে প্রধানমন্ত্রী বললেন, “তোমার স্ত্রীর চিকিৎসা খরচ সরকার বহন করবে। মন্ত্রী হিসেবে সরকার থেকে এই সুবিধা তোমার প্রাপ্য।” স্বল্পভাষী চরিত্রের মন্ত্রী মহোদয় এর উত্তর ছিল, “বনানীর বাড়িটা বিক্রি করে দিয়েছি, সেটা দিয়েই হয়ে যাবে।” স্বল্পভাষী চরিত্রের ঐ মন্ত্রী মহোদয় সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আর কথা বাড়ালেন না। স্বল্পভাষী এই রকম মন্ত্রী রূপকথার মতো-ই এখন। ২০১৬ সালের ২৩শে অক্টোবর  দলের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সাবেক হলেন এক বছরের মাথায় অর্থাৎ ২৩ শে অক্টোবর ২০১৭ তে সহধর্মীনি কে হারালেন, তারিখটা কষ্টেরই হয়ে থাকলো সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জন্য।