আজ - বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি, (শরৎকাল), সময় - দুপুর ২:১০

যশোরে পাওনা টাকা আদায়ে দেনাদারের বাড়ির সামনে পাওনাদারের প্রতীকী অনশন।

পাওনা টাকা আদায়ে দেনাদারের বাড়ির সামনে ফেস্টুন ঝুলিয়ে অনশন
সংগৃহীত ছবি
চার বছর ধরে পাওনা টাকা ফেরত না পেয়ে অভিনব প্রতিবাদ করেছেন আল আমিন নামের এক পাওনাদার। টাকা আদায়ের দাবিতে দেনাদারের বাড়ির সামনে ফেস্টুন ঝুলিয়ে প্রতীকী অনশনে বসেছেন তিনি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে যশোর শহরের আরএন রোড এলাকায় ‘রওনক সানফ্লাওয়ার’ টাওয়ারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আল আমিন জানান, চার বছর ধরে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা পাওনা আদায়ের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত দেনাদারের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং পাওনা টাকা ফেরতের দাবিতে এ প্রতীকী অনশনে বসতে বাধ্য হয়েছেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন সৌদি আরবে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।

প্রবাসে থাকার সময় তাঁর বিয়াই মিজানের মাধ্যমে জানতে পারেন, শাহরিয়ার পলাশ একটি দোকান বিক্রি করবেন। দোকানটি কেনার জন্য চার বছর আগে মিজানের মাধ্যমে শাহরিয়ার পলাশকে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা দেন তিনি।
টাকা দেওয়ার পর দোকানটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার জন্য পলাশকে বারবার তাগাদা দেন আল আমিন। তবে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

একপর্যায়ে আল আমিন জানতে পারেন, যে দোকটি বিক্রির কথা বলা হয়েছিল, সেটির মালিকানা নিয়ে শরিকদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে এবং পলাশ এককভাবে দোকানটির মালিক নন।
এরপর পাওনা টাকা ফেরত চাইলে শাহরিয়ার পলাশ নানা কৌশলে তাঁকে ঘুরাতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন আল আমিন।

তিনি বলেন, ‘দেশে এসে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমার এক পায়ে অপারেশন করে রড দেওয়া হয়েছে। পায়ুপথেও অপারেশন করা হয়েছে।

বর্তমানে চরম অর্থকষ্টে রয়েছি। এমন অবস্থায় বারবার চেষ্টা করেও টাকা আদায় করতে না পেরে এ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছি।’
এ বিষয়ে শাহরিয়ার পলাশ টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, শরিকদের কারণে আল আমিনদের কাছে দোকানটি বিক্রি করতে পারেননি। এমনকি অন্য কারো কাছেও দোকানটি বিক্রি করতে পারছেন না। দোকানটি অন্যত্র বিক্রি করতে পারলে পাওনাদারের টাকা ফেরত দেবেন বলে জানান তিনি।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->