আজ - রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি, (শরৎকাল), সময় - সকাল ৭:৪২

অভয়নগরে চরমপন্থী বাহারুল হ ত্যার রহস্য উম্মোচন, আপন ভাই ভাড়াটে কিলার দিয়ে হত্যা করে বাহারুল কে।

যশোরের অভয়নগর উপজেলার রানাগাতি মধ্যপাড়ায় চরমপন্থী বাহারুল মল্লিক হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। ডিবির দাবি, পারিবারিক বিরোধের জেরে নিহত বাহারুল মল্লিকের ছোট ভাই মামুন মল্লিক ৩ লাখ টাকা চুক্তিতে ভাড়াটে কিলার দিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া মূল কিলার আশরাফুল ইসলাম ছিলেন নিহত বাহারুল মল্লিকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। গত ১০ সেপ্টেম্বর আশরাফুল ইসলাম আদালতে এ ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে খুলনার ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণ দিহি গ্রাম থেকে আশরাফুল ইসলামকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। আটক আশরাফুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর সকালে অভয়নগর উপজেলার রানাগাতি মধ্যপাড়ার একটি বাগান থেকে বাহারুল মল্লিকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বিল্লাল মল্লিক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে অভয়নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত করছেন অভয়নগর থানার এসআই নাসির।

ডিবি পুলিশের এসআই শিবু মন্ডল ও এসআই কামাল হোসেন জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আশরাফুল ইসলামকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি হত্যাকাণ্ডের।

ডিবির কর্মকর্তা জানান, আশরাফুল জানিয়েছেন, নিহতের ছোট ভাই মামুন মল্লিক তাকে ৩ লাখ টাকার চেক দিয়ে হত্যার চুক্তি করেন। টাকা উত্তোলনের পর ৬ সেপ্টেম্বর রাতে কৌশলে বাহারুল মল্লিককে বাগানে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার সঙ্গে আরও তিনজন অংশ নেন বলেও আশরাফুল জানিয়েছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে আশরাফুল আরও জানান, পিতা আব্দুর রশিদের ২৫ থেকে ৩০ বিঘা জমির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে বাহারুল মল্লিকের বিরোধ চলছিল। ডিবির দাবি, ওই বিরোধের জের ধরেই ছোট ভাই মামুন মল্লিক হত্যার পরিকল্পনা করেন।

ডিবি পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত মামুন মল্লিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->