
যশোরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিশোরীকে অপহরণ করে টাকা ও সোনার গহনা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।
শনিবার সকালে গাজীপুর থেকে প্রধান আসামি সুপ্ত নিকোলাস মন্ডলকে আটক করা হয়। সে ঝিকরগাছার শিমুলিয়া গ্রামের মণ্ডল পরিবারের সদস্য এবং বর্তমানে যশোর শহরের নাজির শংকরপুর মাঠপাড়ায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকত। এসময় পুলিশ ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে। যার বয়স ১৫ বছর। নিকোলাস মন্ডলের জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত আরও দুইজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন, শংকরপুর বাস টার্মিনাল এলাকার আবুল কাশেম মোল্লার ছেলে এম. এম. শাহারুজ্জামান এবং কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের ভাড়াটিয়া রফিকুল ইসলামের ছেলে রিপন।
কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ ফারুক আহম্মেদ জানান, গত ১৫ জানুয়ারি সকাল ৯টার দিকে কিশোরীটি বাড়ি থেকে বের হয় প্রাইভেট পড়ার জন্য। তার বাবা সাধারণ ডায়েরি করেন। এসআই জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান আসামিসহ চক্রের তিনসদস্যকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান চক্রটি কিশোরীকে বাধ্য করেছিল সোনার গহনা সঙ্গে নিয়ে যেতে, যা পরে ভাগাভাগি করে নেন। কিছু অংশ বিক্রিও করা হয়েছিল। গোপালগঞ্জ থেকে প্রায় সাত ভরি সোনার গহনা এবং বিক্রির ৮৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রস্তুত করা হচ্ছে। স্কুলছাত্রীটির পিতা অভিযোগ করেন, প্রথমে নিকোলাস মন্ডল ব্ল্যাকমেইল করেছিল, পরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তার কাছ থেকে সোনার গহনা ও নগদ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়। তার মেয়েকে পূজিঁ করে নানা ভাবে প্রতারণা শুরু করে।