
প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এক কিশোরীকে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি এবং ধর্ষণের পর হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আদালতে দায়ের করা পিটিশন কোতয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা হিসাবে রেকর্ড হয়েছে। যশোর সদর উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের ভুক্তভোগী ওই কিশোরী নিজেই এ মামলা করেছেন। প্রথমে আদালতে মামলা দায়ের করার পর, আদালতের নির্দেশে রোববার রাতে কোতয়ালি থানা নিয়মিত মামলা হিসেবে এটি রেকর্ড করে।
যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের শিমুল হোসেনের ছেলে পিয়াল হোসেনকে আসামি করে মামলাটি হয়েছে।
মামলার এজাহারে উলে¬খ করা হয়েছে, বাদীর সাথে পিয়ালের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এই সম্পর্কের সূত্র ধরে গত ১ জুলাই পিয়াল বাদীর বাড়ির সামনে এসে তাকে মোটরসাইকেলে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে একটি কাগজে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে পিয়াল দাবি করে যে তাদের বিয়ে হয়েছে এবং এরপর সে বাদীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
অন্যদিকে, পিয়াল ওই কিশোরীকে আটকে রেখে তার মায়ের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ না পাওয়ায় কিশোরীটিকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে মারপিট করা হয়। অবশেষে, কিশোরীর মা পাঁচ লাখ টাকা পরিশোধ করার পর পিয়াল আবারও পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং মারধর অব্যাহত রাখে।
গত ৩১ আগস্ট, কিশোরীটি পিয়ালের হাত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে মারপিট ও হত্যাচেষ্টা করা হয়। এরপর কিশোরীর মা তাকে উদ্ধার করে পহেলা সেপ্টেম্বর যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।