আজ - রবিবার, ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৩ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি, (শীতকাল), সময় - রাত ২:১১

যশোরে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের নির্যাতনে ৩৫ বছর বয়সে নিভে গেল কামনা‘র প্রাণ

স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের নির্যাতনে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে নিভে গেল কামনা সরকার নামে এক গৃহবধূর প্রাণ। বিয়ের ১৫ বছর সংসার জীবনে শুধু সহ্য করেছেন নির্যাতন ও যন্ত্রণা। শ্বশুর বাড়ির লোকজন গত ৩০ মার্চ তাকে জোর করে কিটনাশক পান করিয়ে ঘরে আটকে রাখে। সবশেষে গত বুধবার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে সন্ধা ৭টার দিকে গৃহবধূর কামনার মৃত্যু হয়।
বৃহস্পতিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য অপেক্ষা করা তার ছোট ভাই বাপ্পি সরকারসহ তার পরিবার এমন অভিযোগ করেন। নিহত কামনা যশোর সদর উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের মৃত বিপুল সরকারের মেয়ে ও সাতমাইল বড় হৈবতপুর গ্রামের প্রশান্ত বিশ্বাসের স্ত্রী।
ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল চত্তরে কান্না জড়িত কন্ঠে মৃতের ভাই বাপ্পি সরকার জানান, আমার বোনের পারিবারিকভাবে ১৫ বছর আগে বিবাহ হয়েছে। সংসার জীবনে তার একটি ১০ বছরের ছেলে আছে। বিবহের ৩মাস পর থেকে বিভিন্ন অযুহাতে শুরু হয় নির্যাতন। পরকীয়া ও যৌতুকের জন্য আমার দিদি কামনাকে মেরে ফেলেছে। চৌগাছার একটি মেয়ের সাথে প্রশান্তর পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে।আমার দিদির সুখের জন্য ৮ভরি সোনা ও ৫ লাখের বেশি টাকা দিয়েছি। নির্যাতনের জন্য একাধিকবার স্থানীয়দের নিয়ে শালিস বিচারও হয়েছে। তারপরও সবশেষ তাকে বাচতে দিলনা।
বাপ্পি আরো জানায়, আমার দিদি (কামনা) মৃত্যুর আগে বলে যায় তার মৃত্যুর জন্য, স্বামী প্রশান্ত বিশ্বাস, শ্বাশুড়ি পুশ্প বিশ্বাষ, নোনদ চুমকি ও ছেলের বোনায় বিমল সরকার দায়ি। তুই ওদের ছাড়বিনা।
এ বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানার এস আই কামরুজ্জাম জানায়, আমরা এমন একটি অভিযোগ পেয়েছি। নিহতের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে বিস্তারিত বলতে পারবো।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->