
যশোরে আলামিন হোসেন ওরফে পেরেক আল আমিন হত্যার ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিহতের মা শহরের বারান্দী মাঠপাড়ার মৃত আক্কাস আলীর স্ত্রী আয়শা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন। তবে, এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করতে পারে নি পুলিশ কিংবা আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। পরিবারের স্বজনের দাবি, ওই এলাকার শান্ত, তুষারসহ আরও কয়েকজন।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তার ছেলে আলামিন হোসেন পেশায় স্বর্ণের কারিগর। শহরের চৌরাস্তা মোড়ের স্বর্ণপট্টিতে তার একটি দোকান রয়েছে। প্রতিদিনের মতো গত ২০ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি বাসা থেকে দোকানের উদ্দেশ্যে বের হন। দোকানে অবস্থানকালে ওইদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। কল করে তাকে জানানো হয়, এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়েছেন, তাকে হাসপাতালে নিতে হবে। এরপর দোকান থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি আলামিন হোসেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার মা জানতে পারেন, কে বা কারা আলামিনকে হত্যা করে বারান্দীপাড়া লিচুতলা এলাকায় ফেলে রেখে গেছে। খবর পেয়ে আয়শা বেগম লিচুতলা মাদরাসার পেছনে বাবুর মেহগনি বাগানে গিয়ে ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে থানা পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।