আজ - সোমবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৬ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, (বসন্তকাল), সময় - দুপুর ২:৪৪

ঝিকরগাছায় সড়কের পাশ থেকে সবজী ব্যবসায়ীর লা শ উদ্ধার।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার চারাতলা এলাকায় সড়কের পাশ থেকে সবজি ব্যবসায়ী বিপ্লব হোসেনের (২৬) মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাত দুইটার দিকে নাভারণ হাইওয়ে থানা পুলিশ তার মরহেদটি উদ্ধার করে। নিহত বিপ্লব সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে। মৃত্যুটি সন্দেহজনক বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। পুলিশ বলছে, বিপুল সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।
নিহতের স্বজনরা জানান-বিপুল চুড়ামনকাটি বাজারে সবজির ব্যবসা করতেন। রাত আড়াইটার দিকে মুঠোফোনে জানতে পারি ঝিকরগাছার চারাতলা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি মারা গেছেন। মরদেহ সড়কের পাশে পড়ে রয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। গভীর রাতে বিপুল ঝিকরগাছা এলাকায় কেনো গিয়েছিল এটা তাদের অজানা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এক নারী এনজিও কর্মীর সাথে বিপুলের সু-সম্পর্ক ছিল। এক সময় চুড়ামনকাটিতে তার কর্মস্থল ছিলো। বর্তমান কর্মস্থল বেনাপোলে। ওই এনজিও কর্মীর সাথে দেখা করার জন্য বিপুল প্রায় সেখানে যেতেন। তাদের ধারণা ঘটনার রাতে তিনি ওই এনজিও কর্মীর সাথে দেখা করতে বেনাপোল গিয়েছিলেন। গভীররাতে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে ফেরার পথে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর কারণ সড়ক দুর্ঘটনায় বলা হলেও এটি সন্দেহজনক।
কারণ হিসেবে তারা বলেন, বিপুলের মাথায় হেলমেট পরা ছিল। অথচ কপালে জখমের চিহ্ন থাকলেও হেলমেট ভাঙেনি। শরীরের অন্য কোনো স্থানে আঘাতের চিহ্ন নেই। তার লাশের পাশে পড়ে থাকা পালসার ব্যান্ডের মোটরসাইকেলটিও অক্ষত! সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছাড়াও মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পুলিশ সঠিকভাবে তদন্ত করলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বেরিয়ে আসবে।
এদিকে, সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) জোহরের নামাজের পর জানাযা শেষে বিপুলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। দাম্পত্য জীবনে বিপুলের দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।
ঝিকরগাছা থানার ওসি শাহ জালাল আলম জানান, চারাতলা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি।
নাভারণ হাইওয়ে থানার ওসি মহাসীন আলী জানান- গভীর রাতে মোটরসাইকেল করে বেনাপোলের দিক থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বিপুল মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন। মৃত্যু নিয়ে পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->