
আজ শনিবার (৩ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে যশোর সদর থানার দাইতলা এলাকার একটি ইটভাটার পার্শ্ববর্তী সড়কে।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিকেলে দাইতলা এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে একটি আলমসাধু গাড়ি মেরামতের কাজ করছিলেন মিঠুন ও রমজান (৩০)। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মিঠুনের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত রমজানকে উদ্ধার করে দ্রুত যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান। তিনি বর্তমানে হাসপাতালের পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে নিবিড় চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন দায়িত্বরত চিকিৎসকেরা। আহত রমজান মনিরামপুর উপজেলার নিমতলী গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে। নিহত মিঠুনের বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরতলির মনিহার এলাকায় দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে। সেখানে একটি যাত্রীবাহী রিকশাযোগে যাচ্ছিলেন আব্দুল্লাহ (৩৩) নামে এক ব্যক্তি। রিকশাটি মনিহার মোড় এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে আসা অপর একটি দ্রুতগতির ট্রাক রিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
ধাক্কার চোটে আব্দুল্লাহ সড়কে ছিটকে পড়লে ঘাতক ট্রাকের চাকা তাঁর ডান পায়ের ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে তাঁর ডান পায়ের হাড় ভেঙে গুরুতর জখম হয়। স্থানীয় পথচারীরা তাঁকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, আঘাত গুরুতর হলেও তাঁর অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত। আহত আব্দুল্লাহ মনিরামপুর উপজেলার জমজমী গ্রামের রতন ঘোষের ছেলে।
দুটি ঘটনার পরই ঘাতক যানসমূহ আটক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ নিয়োজিত রয়েছে।