আজ - শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি, (শরৎকাল), সময় - রাত ৩:৫৮

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড।

চাঁদার টাকা না দেয়ায় যশোর সদরের আবাদ কচুয়া গ্রামের মজনুকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির ঘটনায় কোতয়ালি থানার সাবেক ৪ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের করা পিটিশন কোতয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা হিসাবে রেকর্ড হয়েছে।

গত ২৩ ডিসেম্বর আবাদ কচুয়া গ্রামের মৃত আছমত আলীর স্ত্রী গুলিবিদ্ধ মজনুর মা নুরজাহান বেগম খুঁকি বাদি হয়ে এ মামলা করেছেন।

সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম কিবরিয়া অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহন করার আদেশ দেয়ার ৯দিন পর কোতয়ালি থানা পুলিশ নিয়মিত মামলা হিসাবে তা রেকর্ড করে।

আসামিরা হলেন, কোতয়ালি থানার সাবেক এসআই জামাল উদ্দিন, এসআই সোহেব উদ্দিন আহমেদ, এসআই শেখ আজগর আলী ও এসআই আমীর আব্বাস। এদের মধ্যে আমীর আব্বাস বর্তমানে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল রাতে আবাদ কচুয়া গ্রামে মজনুকে আসামিরা আটক করে। এ সময় আসামিরা তার পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় আসামিরা মজনুকে গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়। চাঁদার টাকা না দেয়ায় আসামিরা মজনুর হাত পিছনে দিয়ে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে নিয়ে চলে যায়। এরপর আসামিরা যশোর-খুলনা মহাসড়কের এসকে ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন টাউন ব্রিজের পাশে নিয়ে মজনকে মাটিতে ফেলে দিয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে হাটুর নিচে গুলি করে। গুরুতর আহত মজনুকে আসামিরা যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে মজনুর অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মজনুর শারিরীক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে আসামিরা একটি মিথ্যা মামলায় আটক দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। আসামিরা প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ায় এবং পরিস্থিতি প্রতিকুলে থাকায় মজনু জামিনে মুক্তি পেয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেনি। বর্তমানে পরিবেশ অনুকূলে আসায় তিনি আদালতে পিটিশিন দিলে তা কোতয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা হিসাবে রেকর্ড করা হয়।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->