আজ - রবিবার, ১৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৬শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, (বসন্তকাল), সময় - রাত ৯:৩৫

যশোরে আবাসিক হোটেল প্রিন্স থেকে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার।

যশোরের আবাসিক হোটেল প্রিন্স থেকে হারুন অর রশিদ নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে হোটেলের ৩০৩ নম্বর রুমের দরজা ভেঙে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। হারুন অর রশিদ মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার মালোপাড়ার বাবুর্চি বাড়ির সামাদ বাবুর্চির ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হারুন অর রশিদের লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ভিসেরা রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ জানা যাচ্ছে না বলে জানান সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা।
যশোর পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ওয়াহিদুজ্জামান জানান, দুপুর একটার দিকে যশোর শহরের দড়াটানা মসজিদ গলির হোটেল প্রিন্সের কর্মীরা এসে জানান, তাদের হোটেলের একটি রুমের দরজা খুলছে না এক বোর্ডার। সংবাদ পেয়ে তিনি সেখানে গিয়ে প্রথমে দরজা খোলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ভেঙে ভিতরে ঢোকেন এবং দেখতে পান বিছানার উপরে ব্যবসায়ী হারুন আর রশিদ মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। এ সময় তার পাশে থাকা মোবাইল ফোনটি ‘ফ্লাইট মুডে’ রাখা ছিল। মোবাইলের ফ্লাইট মুডটি অফ করার পরপরই একটি কল আসে। কলটি রিসিভ করলে নিজেকে হারুন অর রশিদের জামাই বলে পরিচয় দেন। তিনি তার শ্বশুরের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে আত্মীয়-স্বজন নিয়ে যশোরের আসছেন বলে জানান।
এসআই ওয়াহিদুজ্জামান আরও জানান, জামাই আসাদুজ্জামানের দেয়া তথ্য মতে হারুন অর রশিদ প্লাস্টিক ও কাঁচের মালামালের ব্যবসায়ী। ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় শামীম প্লাস্টিক হাউজ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে তার শ্বশুরের।
হোটেলের ওয়ার্ড বয় আব্দুল আওয়াল জানান, গত ৩ মার্চ ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদ হোটেলের ৩০৩ নম্বর রুমে ওঠেন। বুধবার সন্ধ্যায়ও তিনি রুমে ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি রুম চেক আউটের সময় দরজায় ধাক্কা দেন। অনেকক্ষণ ধাক্কাধাক্কির পরও রুমের দরজা না খুললে তিনি পাশের পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানান। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->