
যশোরের অভয়নগর উপজেলায় এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (রাত সাড়ে ৮টার দিকে) উপজেলার দিঘলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী প্রশান্ত কুমার মুখার্জী (৭০) স্থানীয় পায়রা বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। তিনি জানান, ঘটনার সময় তিনি ঘরে প্রার্থনা করছিলেন। এ সময় তার স্ত্রীর কাছে লাল টেপে মোড়ানো একটি ককটেলসদৃশ বস্তু এসে পড়ে। এতে পরিবারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পর পাশের একটি কাঠের ঘরে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবিস্ফোরিত ককটেলটি উদ্ধার করে।
প্রশান্ত কুমার মুখার্জী বলেন, “ককটেলটি বিস্ফোরিত না হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি।” তবে এ ঘটনার পর এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে অভয়নগর থানার ওসি এস এম নূরুজ্জামান বলেন, দুর্বৃত্তরা লাল টেপে মোড়ানো ককটেলসদৃশ একটি বস্তু নিক্ষেপ করে এবং পরে একটি ঘরে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি জানান, ভুক্তভোগীকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে, তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
যশোরের অভয়নগর উপজেলায় এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (রাত সাড়ে ৮টার দিকে) উপজেলার দিঘলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী প্রশান্ত কুমার মুখার্জী (৭০) স্থানীয় পায়রা বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। তিনি জানান, ঘটনার সময় তিনি ঘরে প্রার্থনা করছিলেন। এ সময় তার স্ত্রীর কাছে লাল টেপে মোড়ানো একটি ককটেলসদৃশ বস্তু এসে পড়ে। এতে পরিবারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পর পাশের একটি কাঠের ঘরে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবিস্ফোরিত ককটেলটি উদ্ধার করে।
প্রশান্ত কুমার মুখার্জী বলেন, “ককটেলটি বিস্ফোরিত না হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি।” তবে এ ঘটনার পর এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে অভয়নগর থানার ওসি এস এম নূরুজ্জামান বলেন, দুর্বৃত্তরা লাল টেপে মোড়ানো ককটেলসদৃশ একটি বস্তু নিক্ষেপ করে এবং পরে একটি ঘরে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি জানান, ভুক্তভোগীকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে, তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।