আজ - মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি, (বর্ষাকাল), সময় - সকাল ৬:১৮

যশোর উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের অভিযানে ৫ মাদক ব্যবসায়ী আটক।

যশোর শহরের উপশহর এলাকার কিসমত নওয়াপাড়া বস্তিতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা। অভিযানে চিহ্নিত মাদক কারবারি বাদশা আলমসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।শনিবার রাত থেকে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই অলোক কুমার দে। রোববার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামিউল আলম পৃথক পৃথক মামলায় সাজা ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কিসমত নওয়াপাড়া এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে বাদশা আলম। তাকে ২০০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই এলাকার সি-ব্লকের ইয়াকুবের ছেলে শান্ত ইসলামকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড, সি-ব্লকের রফিকুল ইসলামের ছেলে সামিউল ইসলামকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড, ৫ নম্বর সেক্টরের নওয়াব আলীর ছেলে বাবুল হোসেনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং কিসমত নওয়াপাড়া গ্রামের হাসান গাজীর স্ত্রী মল্লিকা রহমানকে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিরা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। দীর্ঘদিন ধরে তারা কিসমত নওয়াপাড়া এলাকায় মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর আগে বাদশার ছেলে গুটি হৃদয় কে মাদকসহ গ্রেফতার করে চার মাসের সাজা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পালিয়ে যান বাদশা। এছাড়া কিসমত নওয়াপাড়া বস্তি কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা মাদক মূলত হাসানের নিয়ন্ত্রণে চলে। কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী হাসানের স্ত্রী মল্লিকা । তাকেও রোববার আটক করা হয়েছে।

উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই অলক কুমার দে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->