আজ - রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি, (গ্রীষ্মকাল), সময় - রাত ১:০৮

যশোর জেনারেল হসপিটালের করোনারী কেয়ার ইউনিট পুর্ণাঙ্গ ভাবে চালুর উদ্যোগ।

যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা চালু করতে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ৩ বছর পর শনিবার জেলা হাসপাতাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এছাড়া নতুন আইসিইউ ও আইসোলেশন ইউনিট চালু, রোগীদের বিনামূল্যের ওষুধ সামগ্রী বিতরণ নিশ্চিত, চিকিৎসকদের নিয়ম মেনে রাউন্ডে আসা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সেবা নিশ্চিত ও দালালের দৌরাত্ম্য কমানোর ব্যাপারে আলোচনা হয়।

এসময় চিকিৎসাসেবার মান বাাড়তে নির্দেশনা দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী যশোর-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শনিবার দুপুরে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল মিলনায়তনে জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদে সংরক্ষিত আসনের এমপি সাবিরা সুলতানা মুন্নি, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি পাবলিক প্রসিকিউটর সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, যশোর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডাক্তার আবু হাসনাত মো. আহসান হাবিব, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়েত, সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, ড্যাব নেতা ডা. রবিউল ইসলাম তুহিন, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আহসান কবির বাপ্পি প্রমুখ।

সভা শেষ করে সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু সাংবাদিকদের জানান, ২০২৩ সালের পর এই প্রথম জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হলো। সভায় রোগীদের সেবার মান উন্নয়ন, হাসপাতাল চত্বর পরিস্কার পরিছন্ন রাখা, সরকারের সরবরাহকৃত বিনামূল্যের ওষুধ সঠিকভাবে বিতরণ, চিকিৎসকদের রাউন্ডে আসা, জনবল সংকট নিরসন ও দালালের দৌরাত্ম্য কমানোর ব্যাপারে আলোচনা করা হয়।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, হাসপাতালে বহিরাগত (স্বেচ্ছাসেবী) কর্মচারী নিয়ন্ত্রণ, অনাকাঙ্খিত যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, সিসিইউ পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা, নতুন আইসিইউ ইউনিট চালু করার বিষয়ে জোরালোভাবে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শতভাগ চেষ্টা করা হবে।

সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা জানান, হাসপাতালের সিকিউরিটি থেকে শুরু করে জনবলের সমস্যা, রোগীদের খাবারের মান উন্নয়ন, রোগীদের চাহিদা পূরণের ব্যাপারেও আলোচনা করা হয়।

এছাড়া হাসপাতালের কিছু অনিয়ম নিয়ে আলোচনা হয়। চিকিৎসা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সংকট দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এসময় তিনি হাসপাতালের সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন বিভাগে তিনটি কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান বলে সভায় উপস্থিত একজন নিশ্চিত করেছেন।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->