আজ - সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি, (গ্রীষ্মকাল), সময় - রাত ১২:৩৬

রাস্তার মাঝখানের বৈদ্যুতিক খুঁটি সরাবে কে ?

গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা:

রাস্তার মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি। এ খুঁটি সরাবে কে? পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি নাকি এলজিইডি। এ অবস্থায় সিদ্ধান্তহীনতায় পড়েছে ঠিকাদার। খুঁটি না সরালে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে লোকজন। জানা যায়, চলতি বছর এলজিইডি গজঘন্টা ইউনিয়নের গজঘন্টা বাজার থেকে কৈপাড়া পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের কাজ শুরু করে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে কাজের প্রায় ৫০ ভাগ শেষ হয়েছে। সেখানে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি রাস্তার মধ্যখানে থাকায় জনগণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

তাছাড়া যেকোনো সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। এ অবস্থায় দুই প্রতিষ্ঠান অনড় অবস্থানে রয়েছে। দুই পক্ষই বলছেন তাদের বরাদ্দ নেই। তাহলে খুঁটি সরাবে কে প্রশ্ন জনগণের? এ ব্যাপারে গজগন্টা ইউপি চেয়ারম্যান ডা. আজিজুল ইসলাম বলেন, খুঁটিটি সরানোর জন্য ডিজিএম বরাবর চিঠি দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার বলছেন, তাদের কোনো বরাদ্দ দেয়নি কর্তৃপক্ষ। রংপুর পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-২ এর গঙ্গাচড়াস্থ জোনাল অফিসের ডিজিএম অখিল কুমার সাহা বলেন, খুঁটি আগে না রাস্তা আগে। খুঁটির মাঝখান দিয়ে রাস্তা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাছাড়া খুঁটি সরানোর জন্য তাদের কোনো এ ধরনের প্রকল্প নেই। গজঘন্টা ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক চিঠি পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এভাবে পোল সরানো যাবে না। কিছু ব্যয় হবে তা সবাই মিলে দিলে সরানো সম্ভব। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রকৌশলী এ জেড এম আহসানউল্লাহ বলেন, ‘যুগ যুগ ধরে রাস্তা চলে আসছে। রাস্তা দিয়ে যাতে নির্বিঘ্নে লোকজন চলাচল করতে পারে সেজন্য রাস্তার মধ্যখান থেকে খুঁটি সরাতে হবে। এর জন্য দায়-দায়িত্ব পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির। এ জন্য আমাদের কোনো বরাদ্দ নেই।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->