আজ - রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি, (শরৎকাল), সময় - রাত ১:২১

যশোর মনিরামপুরে জাল টাকা তৈরির সরঞ্জাম সহ দুই কবিরাজ আটক।

যশোরের মণিরামপুরে কবিরাজির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা তৈরির কারবার চালিয়ে আসার অভিযোগে কুলটিয়া ইউনিয়ন ওলামালীগের সভাপতি এমদাদুল হক কবিরাজ ও তার এক সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদের পাকড়াও করা হয় এবং কম্পিউটার দোকানদারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কুলটিয়া ইউনিয়নের কালার মোড়ের একটি দুইতলা ভবনে দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজির ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন ডাঙ্গামহিষদীয়া গ্রামের বশির উদ্দিনের ছেলে ও ইউনিয়ন ওলামালীগের সভাপতি এমদাদুল হক কবিরাজ এবং তার প্রধান সহকারী আজিবুর রহমান (যশোর সদর উপজেলার মাহিদীয়া গ্রামের মৃত আলতাফ বিশ্বাসের ছেলে)। আজিবুর বর্তমানে ডাঙ্গামহিষদীয়া বাজারে নওয়াব আলীর দুইতলা বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। তবে কবিরাজির আড়ালে তারা দীর্ঘদিন ধরে গোপনে জাল টাকা তৈরি ও কারবার করে আসছিলেন বলে স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফুল ইসলাম, হযরত আলী ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে কালারমোড় এলাকার মৃত আনোয়ার গাজীর ছেলে মফিজুর রহমানের কম্পিউটার দোকানের সাটার বন্ধ করে ভেতরে জাল টাকা প্রিন্ট করা হচ্ছিল। এ সময় সন্দেহ হলে এলাকাবাসী অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে সহকারী আজিবুর রহমানকে আটক করেন। তবে ওই সময় মূলহোতা এমদাদুল হক ও কম্পিউটার দোকানের মালিক মফিজুর রহমান কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পরে পরদিন শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ছয়টার দিকে ডাঙ্গামহিষদীয়া এলাকা থেকে প্রধান কবিরাজ এমদাদুল হককেও আটক করে এলাকাবাসী।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক দুজনকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে আসে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মনিরুজ্জামান হাজরা জানান, অভিযانকালে ঘটনাস্থল থেকে জাল টাকা তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি কম্পিউটার, একটি প্রিন্টার, একটি কিবোর্ড এবং বেশ কয়েকটি প্রিন্ট করা ১০০০ টাকার জাল নোট জব্দ করা হয়েছে।ডানপন্থী রাজনৈতিক মতামত বিশ্লেষণ পড়া

মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জাল টাকা ছাপানোর সাথে জড়িত থাকার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় ওলামালীগ নেতা এমদাদুল হক, তার সহকারী আজিবুর রহমান এবং কম্পিউটার দোকানের মালিক মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পলাতক দোকানদার মফিজুর রহমানকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->