আজ - শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি, (শরৎকাল), সময় - দুপুর ১২:০৫

যশোর শার্শা কন্যাদহ বাওড় দখল কে কেন্দ্র করে গু লা গু লিতে ৫ জন আহত।

যশোরের শার্শায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার ও কন্যাদহ বাওড় নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে যুবদলের অব্যাহতি প্রাপ্ত যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম ওরফে গোল্ড শহীদ চক্রের বিরুদ্ধে বোমা বিস্ফোরণ, একের পর এক গুলিবর্ষণের অভিযোগ করা হচ্ছে। তাদের ছোড়া গুলিতে আহত হয়ে ৫ জন যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কন্যাদহ গ্রামের গাইনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, উপজেলা বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শহিদ আলী এবং শার্শা উপজেলা যুবদলের সদ্য অব্যাহতি প্রাপ্ত যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম শহিদের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে রেজাউল ইসলাম গাইনের বাড়ির সামনে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা ১০ থেকে ১২টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। ককটেল বিস্ফোরণে বাবু গাইন ও আনারুলের বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে রেজাউল গাইনের পক্ষের লোকজন প্রতিরোধের চেষ্টা করলে হামলাকারীরা শর্টগানের গুলি ছোড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

ঘটনায় শাহ আলম, মিঠু, আকাশ, শাকিল ও আবদুল্লাহ শর্টগানের ছররা গুলিতে আহত হন। তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় তারা বিএনপি নেতা মফিকুল হাসান তৃপ্তির অনুসারী হওয়ায় তাদের ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

স্থানীয়রা জানান, কন্যাদহ বাওড় ও এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপি নেতা রেজাউল ইসলাম গাইনের সঙ্গে শহিদ আলী ও শহীদুল ইসলাম শহিদের লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর আগে এ বিরোধকে কেন্দ্র করে একাধিকবার ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

সংঘর্ষ ও বিস্ফোরণের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে মশিয়ার মোড়ল (৫৬) নামে এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শহিদ আলী বলেন, সবই মিথ্যা কথা। তিনি সারাদিন এলাকায় ছিলেন না। তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, শাহ আলম, হাসানুররা বুধবার বাওড়ের জেলেদের আটকে রেখে হয়রানি করে। মারপিটও করে। সেসব ঘটনা ধামাচাপা দিতে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে জানতে শহীদুল ইসলাম ওরফে গোল্ড শহীদের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বিষয়টি নিয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামিনুল হক জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->