আজ - বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি, (শরৎকাল), সময় - দুপুর ১:৪১

যশোর বেজপাড়ায় চোরাই মটর পার্টস বিক্রয় কালে ২ জন আটক।

যশোর শহরের ব্যস্ততম বেজপাড়া এলাকায় দোকানে কাজ করার সুযোগে মালিকের বিপুল পরিমাণ মূল্যবান মোটরপার্টস চুরি ও তা গোপনে কেনাবেচার অপরাধে আরাফাত (২২) ও নাদিম ওরফে ডালপয়েন্ট (৪০) নামের দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ।

গতকাল মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যা নাগাদ বেজপাড়া মেইন রোডস্থ ব্যবসায়ী ইব্রাহীম খলিল বাবুর মোটরপার্টসের দোকানের সামনে থেকে স্থানীদের সহায়তায় তাঁদের আটক করা হয়।
আটককৃত আসামিদের মধ্যে মোঃ আরাফাত যশোর শহরের বকচর এলাকার তাইনুর রহমান মোল্লার ছেলে এবং নাদিম ওরফে ডাল পয়েন্ট শহরের বেজপাড়া আজিমাবাদ কলোনি এলাকার আইনুল হকের ছেলে।

পুলিশ ও আভিযানিক সূত্রে জানা যায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে প্রাপ্ত এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল দ্রুত বেজপাড়া মেইন রোডে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ঘটনাস্থলে স্থানীয় জনতা চোর সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে ঘেরাও করে আটকে রেখেছিলেন। পুলিশ পৌঁছালে জনতা তাঁদের পুলিশি হেফাজতে সোপর্দ করে।

জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, আসামি আরাফাত উক্ত ইব্রাহীম খলিল বাবুর মোটরপার্টসের দোকানে দীর্ঘদিন কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেই সুবাদে তিনি নিয়মিত মালিকের অলক্ষ্যে বিভিন্ন সময় দামী মোটরপার্টস চুরি করে সুবিধাজনক দামে নাদিমের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে নাদিমও চোরাই মালামাল কম দামে কিনে নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। আটকের পূর্বে স্থানীয়দের মারধরে চোর আরাফাত কিছুটা আহত হলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে।

উক্ত চুরির ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে।

পরবর্তীতে সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আসামিদের জবানবন্দি বিশ্লেষণ করে যশোরের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুল ইসলাম দুই আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরো সংবাদ
যশোর জেলা
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত
-->