
প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে আজ (রোববার) প্রথমবার কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিং (ইভিএমে) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে। ভোটকে ঘিরে ভোটারদের মাঝে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ। এখনও পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।
ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে অনেক কেন্দ্রে ভোটাররা আসতে শুরু করে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে তীব্র রোদ উপক্ষে করে ভোট দিতে আসা নারীদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। তবে ইভিএমে ভোট প্রদানে বিড়ম্বনায় পড়ছেন বলে অভিযোগ অনেকের।
সকাল পৌনে নয়টায় সাবদিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রের একটি ইভিএম মেশিনে ভোট পড়ে ১১টি। অপরদিকে সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ভোগতীনরেন্দ্রপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সবকটি ইভিএমে ৪৮৭ ভোট কাস্ট হয়েছে। এদিকে সকাল ১১টা পর্যন্ত কেশবপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সর্বমোট ৭১৪ ভোট কাস্ট হয়েছে বলে জানান প্রিজাইডিং অফিসার ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার বজলুর রশিদ জানান, ১০টি ভোট কেন্দ্রের ৬৩টি কক্ষে পঞ্চম ধাপের এ নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। কেশবপুর পৌরসভার ভোটার সংখ্যা ২০ হাজার ৭৭৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ হাজার ২০৮ জন ও মহিলা ভোটার রয়েছেন ১০ হাজার ৫৬৭ জন। প্রশাসন ভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে শেষ করতে সর্বাত্নক চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৩ পদে ৫৪ প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে ৩ প্রার্থী আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত রফিকুল ইসলাম নৌকা, বিএনপির মনোনীত আব্দুস সামাদ বিশ্বাস ধানের শীষ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত আব্দুল কাদের হাতাপাখা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এছাড়া ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৮ জন পুরুষ ও সংরক্ষিত আসনে ১৩ জন নারী প্রার্থী রয়েছেন।
রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন জানান, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সকল কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। নির্বাচনে ১১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি ও র্যাব দায়িত্বে রয়েছেন।